كل أسفار বেঙ্গলী IRV

মথি 10

বেঙ্গলী IRV · الأصحاح 10

28 أصحاحات

বেঙ্গলী IRV / মথি / الأصحاح 10

বেঙ্গলী IRV · الأصحاح 10

1 ¶ পরে তিনি নিজের বারো জন শিষ্যকে কাছে ডেকে তাঁদের অশুচি আত্মাদের উপরে শিক্ষা দিলেন, যেন তাঁরা তাদের ছাড়াতে এবং সব রকম রোগ-ব্যাধি থেকে সুস্থ করতে পারেন।

2 সেই বারো জন প্রেরিতের নাম এই প্রথম, শিমোন, যাকে পিতর বলে এবং তাঁর ভাই আন্দ্রিয়, সিবদিয়ের পুত্র যাকোব এবং তাঁর ভাই যোহন,

3 ফিলিপ ও বর্থলময়, মথি, থোমা ও কর আদায়কারী, আলফেয়ের ছেলে যাকোব ও থদ্দেয়,

4 উদ্যোগী শিমোন ও ঈষ্করিয়োতীয় যিহূদা, যে তাঁকে শত্রুদের হাতে তুলে দিল।

5 এই বারো জনকে যীশু পাঠিয়ে দিলেন, আর তাঁদের এই নির্দেশ দিলেন, ‹তোমরা অযিহূদীরা যেখানে বাস করে সেখানে যেও না এবং শমরীয়দের কোন শহরে প্রবেশ কর না;›

6 ‹বরং ইস্রায়েল কুলের হারান মেষদের কাছে যাও।›

7 ‹আর তোমরা যেতে যেতে এই কথা প্রচার কর, স্বর্গরাজ্য কাছাকাছি এসে পড়েছে।›

8 ‹অসুস্থদেরকে সুস্থ কর, মৃতদেরকে বাঁচিয়ে তোল, কুষ্ঠ রোগীদেরকে শুদ্ধ কর, ভূতদেরকে বের করে দাও; কারণ তোমরা বিনামূল্যে পেয়েছ, বিনামূল্যে দান কর।›

9 ‹তোমাদের কোমরের কাপড়, সোনা কি রূপা কি পিতল এবং›

10 ‹যাওয়ার জন্য থলি কি দুটি জামাকাপড় কি জুতো কি লাঠি, এ সব নিও না; কারণ যে কাজ করে সে তার বেতনের যোগ্য।›

11 ‹আর তোমরা যে শহরে কি গ্রামে প্রবেশ করবে, সেখানকার কোন ব্যক্তি যোগ্য, তা খোঁজ করো, আর যে পর্যন্ত অন্য জায়গায় না যাও, সেখানে থেকো।›

12 ‹আর তার ঘরে প্রবেশ করবার দিনের সেই ঘরের লোকদেরকে শুভেচ্ছা জানাও। ›

13 ‹তাতে সেই ঘরের লোক যদি যোগ্য হয়, তবে তোমাদের শান্তি তাদের প্রতি আসুক; কিন্তু যদি যোগ্য না হয়, তবে তোমাদের শান্তি তোমাদের কাছে ফিরে আসুক।›

14 ‹আর যে কেউ তোমাদের গ্রহণ না করে এবং তোমাদের কথা না শোনে, সেই ঘর কিংবা সেই শহর থেকে বের হবার দিনের নিজের নিজের পায়ের ধূলো ঝেড়ে ফেলো।›

15 ‹আমি তোমাদের সত্য কথা বলছি, বিচার দিনের সেই শহরের দশা থেকে বরং সদোম ও ঘমোরা দেশের দশা সহনীয় হবে।›

16 ‹দেখ, নেকড়েদের মধ্যে যেমন মেষ, তেমনি আমি তোমাদের পাঠাচ্ছি; অতএব তোমরা সাপের মতো সতর্ক ও পায়রার মতো অমায়িক হও।›

17 ‹কিন্তু লোকদের থেকে সাবধান থেকো; কারণ তারা তোমাদের বিচার সভায় সমর্পণ করবে এবং নিজেদের সমাজঘরে নিয়ে বেত মারবে।›

18 ‹এমনকি, আমার জন্য তোমরা রাজ্যপাল ও রাজাদের সামনে, তাদের ও অইহূদিদের কাছে সাক্ষ্য দেবার জন্য হাজির হবে।›

19 ‹কিন্তু লোকে যখন তোমাদের সমর্পণ করবে, তখন তোমরা কিভাবে কি বলবে, সে বিষয়ে ভেবো না; কারণ তোমাদের যা বলবার তা সেই দিনেই তোমাদের দান করা যাবে।›

20 ‹কারণ তোমরা কথা বলবে না, কিন্তু তোমাদের পিতার আত্মা তোমাদের মাধ্যমে কথা বলবেন।›

21 ‹আর ভাই ভাইকে ও বাবা সন্তানকে মৃত্যুতে সমর্পণ করবে; এবং সন্তানেরা মা বাবার বিপক্ষে উঠে তাদের হত্যা করাবে।›

22 ‹আর আমার নামের জন্য তোমাদের সবাই ঘৃণা করবে; কিন্তু যে কেউ শেষ পর্যন্ত স্থির থাকবে, সেই পরিত্রান পাবে।›

23 ‹আর তারা যখন তোমাদের এক শহর থেকে তাড়না করবে, তখন অন্য শহরে পালিয়ে যেও; কারণ আমি তোমাদের সত্য বলছি, ইস্রায়েলের সব শহরে তোমাদের কাজ শেষ হবে না, যে পর্যন্ত মনুষ্যপুত্র না আসেন।›

24 ‹শিষ্য গুরুর থেকে বড় নয় এবং দাস মনিবের থেকে বড় নয়।›

25 ‹শিষ্য নিজের গুরুর তুল্য ও দাস নিজের কর্তার সমান হলেই তার পক্ষে যথেষ্ট। তারা যখন ঘরের মালিককে ভূতেদের অধিপতি বলেছে, তখন তাঁর আত্মীয়দেরকে আরও কি না বলবে?›

26 ‹অতএব তোমরা তাদের ভয় কর না, কারণ এমন ঢাকা কিছুই নেই, যা প্রকাশ পাবে না এবং এমন গোপন কিছুই নেই, যা জানা যাবে না।›

27 ‹আমি যা তোমাদের অন্ধকারে বলি, তা তোমরা আলোতে বল এবং যা কানে কানে শোন, তা ছাদের উপরে প্রচার কর।›

28 ‹আর যারা দেহ হত্যা করে, কিন্তু আত্মা বধ করতে পারে না, তাদের ভয় কর না; কিন্তু যিনি আত্মাও দেহ দুটি কেই নরকে বিনষ্ট করতে পারেন, বরং তাঁকেই ভয় কর।›

29 ‹দুটি চড়াই পাখী কি এক পয়সায় বিক্রি হয় না? আর তোমাদের পিতার অনুমতি ছাড়া তাদের একটিও মাটিতে পড়ে না।›

30 ‹কিন্তু তোমাদের মাথার চুলগুলিও সব গোনা আছে।›

31 ‹অতএব ভয় কর না, তোমরা অনেক চড়াই পাখীর থেকে শ্রেষ্ঠ।›

32 ‹অতএব যে কেউ লোকদের সামনে আমাকে স্বীকার করে, আমিও নিজের স্বর্গস্থ পিতার সামনে তাকে স্বীকার করব।›

33 ‹কিন্তু যে মানুষদের সামনে আমাকে অস্বীকার করে, আমিও নিজের স্বর্গস্থ পিতার সামনে তাকে অস্বীকার করব।›

34 ‹মনে কর না যে, আমি পৃথিবীতে শান্তি দিতে এসেছি; শান্তি দিতে আসিনি, কিন্তু খড়গ দিতে এসেছি।›

35 ‹কারণ আমি বাবার সাথে ছেলের, মায়ের সাথে মেয়ের এবং শাশুড়ীর সাথে বৌমার বিচ্ছেদ সৃষ্টি করতে এসেছি;›

36 ‹আর নিজের নিজের পরিবারের লোকেরা মানুষের শত্রু হবে।›

37 ‹যে কেউ বাবা কি মাকে আমার থেকে বেশি ভালবাসে, সে আমার যোগ্য নয় এবং যে কেউ ছেলে কি মেয়েকে আমার থেকে বেশি ভালবাসে, সে আমার যোগ্য নয়।›

38 ‹আর যে কেউ নিজের ক্রুশ তুলে নিয়ে আমার পিছনে না আসে, সে আমার যোগ্য নয়।›

39 ‹যে কেউ নিজের প্রাণ রক্ষা করে, সে তা হারাবে; এবং যে কেউ আমার জন্য প্রাণ হারায়, সে তা রক্ষা করবে।›

40 ‹যে তোমাদের গ্রহণ করে, সে আমাকেই গ্রহণ করে; আর যে আমাকে গ্রহণ করে, সে তো আমাকে যিনি পাঠিয়েছেন সেই ঈশ্বরকেই গ্রহণ করে।›

41 ‹যে ভাববাদীকে ভাববাদী বলে গ্রহণ করে, সে ভাববাদীর পুরষ্কার পাবে; এবং যে ধার্ম্মিককে ধার্মিক বলে গ্রহণ করে, সে ধার্ম্মিকের পুরষ্কার পাবে।›

42 ‹আর যে কেউ এই সামান্য লোকদের মধ্যে কোন এক জনকে আমার শিষ্য বলে কেবল এক বাটি ঠান্ডা জল পান করতে দেয়, আমি তোমাদের সত্য বলছি, সে কোনো মতে আপন রাজত্ব থেকে বঞ্চিত হবে না।›